মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘী থানার অন্তর্গত রাজারামপুর ফেরিঘাটের এক ইজারাদার যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে লালগোলা থানার অফিসার ইনচার্জ অতনু দাসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও ওই যুবককে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে শারীরিকভাবে নিগৃহীত করা হয়। বর্তমানে তিনি সাগরদিঘী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সূত্রের খবর, কিছুদিন আগে লালগোলা থানা রাজারামপুর ঘাটে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ঘাটের ইজারাদারদের দাবি, সেই সিসিটিভির খরচ জোগানোর জন্য ওসি তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। ঘাট কর্তৃপক্ষ অর্থ দিতে অস্বীকার করায় সোমবার ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।
এই ঘটনায় ঘাটে উপস্থিত ওই যুবক পুলিশের কথোপকথন মোবাইলে ধারণ করছিলেন। অভিযোগ, এরপরই ওসি অতনু দাস তাঁকে জোর করে থানায় নিয়ে যান এবং সেখানে ব্যাপক মারধর করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাঁকে কৃষ্ণপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর পুনরায় থানায় নিয়ে গিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পরবর্তীতে যুবকের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাঁকে সাগরদিঘী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজারামপুর ফেরিঘাটের ইজারাদারদের পক্ষ থেকে জেলার জেলা শাসক এবং পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
