মহম্মদ হোসেন, জঙ্গীপুর: আজ গোটা রাজ্যের পাশাপাশি জঙ্গীপুরেও ধুমধাম করে পালিত হল দ্বাদশ বর্ষ কন্যাশ্রী দিবস। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শতাধিক ছাত্রীদের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জঙ্গীপুরের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক রাজর্ষি মিত্র, জঙ্গীপুর মহকুমা শাসক এ. কাম. জে. সিং, মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, জঙ্গীপুর পুলিশ জেলার এসপি অমিত কুমার সাউ, জঙ্গীপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, জঙ্গীপুর পৌরসভার পৌরপিতা মফিজুল ইসলাম, জেলার বিভিন্ন বিধানসভার বিধায়ক ও প্রশাসনিক দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
কন্যাশ্রী প্রকল্পের সাফল্য নিয়ে গর্ব প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন—
“কন্যাশ্রী প্রকল্প বিশ্বজয়ী। ৬২টি দেশের বহু শত প্রকল্পের মধ্যে এটি প্রথম স্থান অধিকার করে United Nations Public Service Award পেয়েছে। আজও ভার্চুয়ালি আমাদের কন্যাশ্রী প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন ইউনিসেফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি সিনথিয়া ম্যাক্যাফ্রি। বাংলার মেয়েদের হাতে আমরা এখনো পর্যন্ত তুলে দিয়েছি সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এখন আমাদের রাজ্যে ৯৩ লক্ষের বেশি ‘কন্যাশ্রী’। এই প্রকল্পের ফলে বহু মেয়ে এখন স্কুলে পড়াশোনা করছে, এবং স্কুল ড্রপআউটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।”
পরিসংখ্যান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানান—
ছাত্রীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা—
“আমার প্রিয় কন্যাশ্রীরা, তোমরা ভালো করে পড়াশোনা করে এগিয়ে যাও। মাথা নত না করে, কারও দ্বারস্থ না হয়ে জীবনযুদ্ধে জয়ী হও। সাহসী হও, নির্ভীক হও, বীর তনয়া হও, বিশ্বজয়ী হও।”
এদিনের অনুষ্ঠানে কন্যাশ্রীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়, এবং নৃত্য-গানসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিবসটি স্মরণীয় হয়ে ওঠে।
