জঙ্গীপুর, ২৩ ডিসেম্বর: ঐতিহ্যবাহী মুর্শিদাবাদ জেলা, একসময় বাংলা, বিহার এবং ওড়িশার রাজধানী হিসেবে পরিচিত, বর্তমানে এক কোটি ছুঁই ছুঁই মানুষের বাসস্থান। স্বাধীনতার এত বছর পরেও এই জেলার মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য মৌলিক পরিষেবায় বঞ্চিত। জেলা ভাগের দাবিতে আজ জঙ্গিপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে জেলা সংগ্রাম সমিতির উদ্যোগে ১০ হাজার মানুষের ঐতিহাসিক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো।
জেলা সংগ্রাম সমিতির সম্পাদক ও খরীবনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানুজ্জামান বাপ্পার নেতৃত্বে এই আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তিনি জানান, ২০১৭ সালে গঠিত এই সংগঠন মুর্শিদাবাদের উত্তরাংশকে আলাদা জেলা হিসেবে গড়ে তোলার দাবি নিয়ে নিরলস কাজ করে চলেছে।
বঞ্চনার ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি
মুর্শিদাবাদে আজও গড়ে ওঠেনি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা একাধিক মেডিক্যাল কলেজ। একদিকে গঙ্গা ও পদ্মার ভাঙনে ধ্বংস হচ্ছে মন্দির, মসজিদ, স্কুল-কলেজ, চাষযোগ্য জমি এবং মানুষের স্বপ্নের বাড়ি। অন্যদিকে, শিল্প-কারখানার অভাবে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
হাসানুজ্জামান বাপ্পা বলেন, “২০২২ সালের ১ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রী জেলা ভাগের ঘোষণা করলেও তা আজও কার্যকর হয়নি। এটি কোনো খয়রাতি নয়, আমাদের অধিকার।”
আন্দোলনের ধারাবাহিকতা
জেলা সংগ্রাম সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সময়ে সাইকেল মিছিল, গণস্বাক্ষর অভিযান, বৃক্ষদান, সত্যাগ্রহ আন্দোলন এবং রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়েছে। আজকের জনসমাবেশে সমিতির পক্ষ থেকে ৬ জনের একটি প্রতিনিধি দল মহকুমা শাসক এ কাম যে সিং-এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।
জেলা সংগ্রাম সমিতির সম্পাদক ও খরীবনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানুজ্জামান বাপ্পার নেতৃত্বে এই আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তিনি জানান, ২০১৭ সালে গঠিত এই সংগঠন মুর্শিদাবাদের উত্তরাংশকে আলাদা জেলা হিসেবে গড়ে তোলার দাবি নিয়ে নিরলস কাজ করে চলেছে।
বঞ্চনার ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি
মুর্শিদাবাদে আজও গড়ে ওঠেনি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা একাধিক মেডিক্যাল কলেজ। একদিকে গঙ্গা ও পদ্মার ভাঙনে ধ্বংস হচ্ছে মন্দির, মসজিদ, স্কুল-কলেজ, চাষযোগ্য জমি এবং মানুষের স্বপ্নের বাড়ি। অন্যদিকে, শিল্প-কারখানার অভাবে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
হাসানুজ্জামান বাপ্পা বলেন, “২০২২ সালের ১ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রী জেলা ভাগের ঘোষণা করলেও তা আজও কার্যকর হয়নি। এটি কোনো খয়রাতি নয়, আমাদের অধিকার।”
আন্দোলনের ধারাবাহিকতা
জেলা সংগ্রাম সমিতির উদ্যোগে বিভিন্ন সময়ে সাইকেল মিছিল, গণস্বাক্ষর অভিযান, বৃক্ষদান, সত্যাগ্রহ আন্দোলন এবং রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়েছে। আজকের জনসমাবেশে সমিতির পক্ষ থেকে ৬ জনের একটি প্রতিনিধি দল মহকুমা শাসক এ কাম যে সিং-এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।
পরবর্তী পদক্ষেপ
হাসানুজ্জামান বাপ্পা দৃঢ়ভাবে বলেন, “সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত উত্তর মুর্শিদাবাদ জেলা ভাগের দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে।”
জনসমাবেশ থেকে রাজ্য সরকারকে জবাবদিহি করতে এবং অবিলম্বে জেলা ভাগ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
হাসানুজ্জামান বাপ্পা দৃঢ়ভাবে বলেন, “সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত উত্তর মুর্শিদাবাদ জেলা ভাগের দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে।”
জনসমাবেশ থেকে রাজ্য সরকারকে জবাবদিহি করতে এবং অবিলম্বে জেলা ভাগ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
