সংবাদাতা, ভরতপুর: মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানার ভরতপুর গোসাইপাড়ার রহিদুল ইসলাম বয়স ৩৮ বছর গত ১৯/৬/২০২৫ তারিখে রাত্রে থেকে নিখোঁজ থাকেন। বাড়ির লোকজন জানান যে সন্ধ্যেবেলায় বাড়ি আসার পর আবার রাত্রে আনুমানিক দশটার দিকে বাইরে বের হন রহিদুল ইসলাম তারপরে থেকে রহিদুল ইসলামের কোন খোঁজ খবর নেই বাড়ির লোকজন ভরতপুর থানায় একটি মিসিং ডাইরি করে। ভরতপুর থানার পুলিশ প্রশাসন ওই নিখোঁজ ব্যক্তি রহিদুল ইসলামের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাশের বাড়ির এক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞেসাবাদ করতেই সে স্বীকার করে নেয় তার সঙ্গে আরেকজন ব্যক্তি ছিল স্বীকার করে দুইজনে রহিদুল ইসলামকে সে খুন করে মাঠে একটি কবরস্থানে পুঁতে রেখে দেয়। ভরতপুর থানার পুলিশ ওই দুই ব্যক্তিকে কান্দি আদালতে পাঠায় এবং পুলিশ হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেন। কান্দি মহাকুম আদালত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। আজ ভরতপুর থানা প্রশাসন ও কান্দি মহকুমা আরক্ষা আধিকারিক সহ ভরতপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ওই ব্যক্তিদের নিয়ে কবরস্থানে যায় যেখানে রহিদুলের দেহ মাটিতে পুতে রেখেছিল সেখান থেকে দেহ উদ্ধার করে কান্দি মহাকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয় পোসমাটাম এর জন্য। ভরতপুর থানা এলাকায় একটি নক্ষার জনক ঘটনা। এই ঘটনায় সারা ভরতপুর এলাকায় একটি শোকের ছায়া নেমে এসেছে, রহিদুল ইসলামের একটি মেয়ে একটি ছেলে মেয়ে মেয়েটি সাত বছর ও ছেলেটি চার বছরে বয়স বলে জানা যায়। দেওটি কবরস্থান থেকে তোলার সময় গ্রামের বহু মানুষজন এলাকায় এসে হাজির হন রহিদুল ইসলামের দেহটি দেখার জন্য। রহিদুলের পরিবারসহ মা-বোন ভাই সকলে ঝিকড়ে কবরস্থানে এসে হাজির হন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন। সাক্ষাৎকারে কে কি বললেন শুনুন
